ক্ষণিকের অতিথি চলচ্চিত্রটি নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেনতপন সিংহ । চলচ্চিত্রটির সংগীত পরিচালনা করেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।
চলচ্চিত্রটিতে জাতি বিভেদের বিষয়টিকে তুলে ধরা হয়েছে। ডাক্তারি পড়ার সময় বিমলের সাথে মিতার পরিচয় হয়। বিমল স্বজাতি নয় বলে তাদের বিয়ে হয় না । অন্য দিকে স্বজাতি এক ইঞ্জিনিয়ারের সাথে মিতার বিয়ে হলেও, সে কিছুদিনের মধ্যেই এক পুত্র সন্তানকে নিয়ে বিধবা হয়।মিতা তার সন্তানকে নিয়ে অন্যত্র চলে যায়।

ক্ষণিকের অতিথি চলচ্চিত্র
- প্রযোজনা – এস.বি. ফিল্মস্ ।
- প্রযোজক — বি.এন. রায়, সুবোধ রায়।
- কাহিনি নির্মলকুমার সেনগুপ্ত।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা- তপন সিংহ।
- সংগীত পরিচালনা — হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।
- চিত্রগ্রহণ – অনিল বন্দ্যোপাধ্যায়।
- শিল্প নির্দেশনা – সুনীতি মিত্র।
- সম্পাদনা – সুবোধ রায়।
- শব্দগ্রহণ অতুল চট্টোপাধ্যায়, অবনী চট্টোপাধ্যায়, সত্যেন চট্টোপাধ্যায়।
- গীতিকার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
চলচ্চিত্রে যারা অভিনয় করেছেন —
রুমা গঙ্গোপাধ্যায় (গুহঠাকুরতা), শ্রীমান তরুণ, নির্মলকুমার, ছবি বিশ্বাস, রাধামোহন ভট্টাচার্য, তুলসী লাহিড়ী, নৃপতি চট্টোপাধ্যায়, অনিল চট্টোপাধ্যায়, দিলীপ রায়, শৈলেন মুখোপাধ্যায়, রবীন বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবী নিয়োগী, রসরাজ চক্রবর্তী, সাধন সেনগুপ্ত, পরিতোষ রায়, অতনুকুমার, কেষ্ট দাস, অজিত চট্টোপাধ্যায়, গীতা দাস, অজন্তা কর, উমা মেনন, প্রভাবতী জানা, কণা রায়।

কাহিনি—
ডাক্তারি পড়ার সময় বিমলের (নির্মলকুমার) সাথে মিতার (রুমা) পরিচয়, ঐ পরিচয় ক্রমে ঘনিষ্ঠতায় পরিণত হয়। পিতৃমাতৃহীন মিতা তার মামার (ছবি) কাছে থাকে। মিতার মামা বিমলকে জানান যে মৃত্যুপথযাত্রী বোনকে তিনি কথা দিয়েছেন যে জাতের বাইরে তিনি মিতার বিয়ে দেবেন না এবং যেহেতু বিমল স্বজাতি নয় তাই তাদের বিয়ে দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।
বিমল ডাক্তারের চাকরি নিয়ে গ্রামে চলে যায়। অন্য দিকে স্বজাতি এক ইঞ্জিনিয়ারের সাথে মিতার বিয়ে হলেও, সে কিছুদিনের মধ্যেই এক পুত্র সন্তানকে নিয়ে বিধবা হয়।

মিতার পুত্র বাবু একদিন সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে জখম হয় এবং ক্রমশ চলচ্ছক্তিহীন হয়ে পড়ে। মিতা বিমলের শরণাপন্ন হয় এবং বিমলের চেষ্টায় বাবু সুস্থ হয়ে ওঠে। বিমল ও মিতা বুঝতে পারে তাদের জীবনে একত্রে থাকার দিন শেষ। মিতা তার সন্তানকে নিয়ে আবার অন্যত্র যাওয়ার ব্যবস্থা করে, বিমল তাদের গাড়িতে তুলে দেয়।
