কাহিনী চলচ্চিত্রটি নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মলয় ভট্টাচার্য। এর সংগীত পরিচালনা করেছেন দেবজ্যোতি মিশ্র।
গল্পটির প্রধান চরিত্র রজত। রজত উকিলের মতো লোকটির কাছ থেকে তার নিজেরও একটি আধপোড়া ছবি পেয়ে যায়। পরবর্তী তে সে জানতে উকিলের মতো দেখতে লোকটি যে আধপোড়া ছবিটি দিয়েছিল, অপহৃত বাচ্চাটির সাথে সেই ছবির ছেলেটির অদ্ভুত সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় এবং আমরা বুঝতে পারি অপহৃত বাচ্চাটি আর কেউ নয় রজত নিজেই।

কাহিনী চলচ্চিত্র
- প্রযোজনা – মলয় ভট্টাচার্য, চন্দ্ৰমালা ভট্টাচার্য।
- কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা — মলয় ভট্টাচার্য।
- সংগীত পরিচালনা—দেবজ্যোতি মিশ্র।
- চিত্রগ্রহণ — সানি যোসেফ।
- শিল্প নির্দেশনা— চিলিবরণ সেনগুপ্ত।
- শব্দগ্রহণ — চিন্ময় নাথ।
- সম্পাদনা – অর্থাকমল মিত্র।
কাহিনী চলচ্চিত্রে যারা অভিনয় করেছেন —
প্রতিমান চট্টোপাধ্যায়, দেবেশ রায়চৌধুরী, দেবাশিষ গোস্বামী, রবি ঘোষ, অনুরাধা ঘটক, সুক্ষনা দাশগুপ্ত, সৌম্যময় বক্সী, নীলকন্ঠ সেনগুপ্ত।

কাহিনী চলচ্চিত্রের কাহিনি—
রজত (ধৃতিমান) পুরোনো জিনিস নিয়ে গবেষণা করার সময় একজন রহস্যময় মানুষের কাছ থেকে কিছু কাগজপত্রের (প্রধানত কোর্টের কাগজপত্র) সাথে তার নিজেরও একটি আধপোড়া ছবি পেয়ে যায়। লোকটিকে কিছুটা উকিলের মতো দেখতে। রজত সিদ্ধান্ত নেয় একটি বাচ্চাকে অপহরণ করবে, তার সাথে যোগাযোগ হয় ড্রাইভার পরিমল এবং ব্যানার লেখার শিল্পী গৌতমের। তারা একটা দল তৈরি করে।
তাদের কাজ শুরু হওয়ার পর তারা বিভিন্ন রকম রোমহর্ষক কাজকর্মের এবং খুব নৃশংস কিছু মানুষের সাহচর্যে আসে—একটি পেট্রল পাম্পের ছেলে, রাস্তার ধারের চায়ের দোকান চালানো মহিলা এবং তারক দাস নামে এক ব্যক্তি, যে মনে করে তার বিকলাঙ্গ শিশুটি একদিন সুস্থ হয়ে উঠবে।

এই সব মানুষের সাথে বিভিন্ন সময়ে তাদের যোগাযোগ হয়। ইতিমধ্যে যে ছেলেটিকে তারা অপহরণ করেছিল সে মারা যায়, রজত আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। রজতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে নীলাকেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।
উকিলের মতো দেখতে লোকটি যে আধপোড়া ছবিটি দিয়েছিল, অপহৃত বাচ্চাটির সাথে সেই ছবির ছেলেটির অদ্ভুত সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় এবং আমরা বুঝতে পারি অপহৃত বাচ্চাটি আর কেউ নয় রজত নিজেই। ছবিটির মধ্যে গল্প বলার চিরাচরিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অন্তদর্শনের বিষয়টিকে রাখা হয়েছে। এটি ১৯৯৫ সালে ইন্ডিয়ান প্যানোরামার জন্য নির্বাচিত হয়েছিল।
